1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
ডিবি'র অভিযানে চাঞ্চল্যকর কাউসার হত্যা মামলার মূলহোতাসহ গ্রেফতার ২ - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন

ডিবি’র অভিযানে চাঞ্চল্যকর কাউসার হত্যা মামলার মূলহোতাসহ গ্রেফতার ২

স্টাফ রিপোটার ::
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

 ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার বহুল আলোচিত কাউছার হত্যা মামলার মূলহোতাসহ দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

গত ২০ মে সন্ধ্যা আনুমানিক ৬:৩০ টার দিকে কাউছার আলম (৪৫) নতুন চাকরির সন্ধানে নিজ ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হন। এরপর তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় এবং পরিবারের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। পরে পুলিশের মাধ্যমে নিহতের স্ত্রী নাজমা বেগম জানতে পারেন তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নাজমা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে পাগলা থানায় মামলা দায়ের করেন। পাগলা থানার মামলা নং-১, তারিখ ২ মে ২০২৬, ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপার ময়মনসিংহের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ও অর্থ এবং ডিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় ডিবি’র একটি বিশেষ টিম ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান ও পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ২৬ মে ভোর আনুমানিক ৬ টায় পাগলা থানার মশাখালী টানপাড়া এলাকা থেকে মোঃ রিটন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে রিটন (৫৫) হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে রিটন জানায়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ও যোগসাজশে কাউছার আলমকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ জামগাছের সঙ্গে বেঁধে আসামিরা পালিয়ে যায়। মামলার তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা ডিবি’তে ন্যস্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১ জুন সন্ধ্যা ৭টায় ঈশ্বরগঞ্জ থানার চেয়ারম্যান বাজার এলাকা থেকে মামলার মূলহোতা মোঃ ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। ফারুকও বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, তার স্ত্রীর বড় বোনের সঙ্গে নিহত কাউছার আলমের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে—এমন ধারণা ও ক্ষোভের জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন মোঃ ফারুক (৩২) পিতা আব্দুস সামাদ ওরফে মকবুল হোসেন, মাতা রিজিয়া খাতুন, সাং দরি চারবাড়ীয়া, থানা পাগলা, জেলা ময়মনসিংহ। বর্তমান ঠিকানা মুলাইদ, ইসমাইল মোড়, থানা শ্রীপুর, জেলা গাজীপুর। পেশা পূর্বে গার্মেন্টসে চাকরি। তার বিরুদ্ধে মাদক, চুরি ও হত্যা মামলাসহ মোট ৭টি মামলা রয়েছে। স্বীকারোক্তিতে সে বিভিন্ন সময় দস্যুতা ও ডাকাতিতে সম্পৃক্ত থাকার কথাও জানায়। মোঃ রিটন মিয়া (৫৫) পিতা মৃত ইসমাইল ওরফে ইসলাম শেখ, মাতা মেরুনা খাতুন, সাং মশাখালী টানপাড়া, থানা পাগলা, জেলা ময়মনসিংহ। পেশা কৃষিকাজ। (ডিবি) ময়মনসিংহ জানিয়েছে, মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD