ময়মনসিংহে কোতোয়ালির অভিযানে হত্যা মামলার আসামীসহ গ্রেফতার ২২
Reporter Name
প্রকাশের সময় :
বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
২৭৯
বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার। ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামী ও জুয়ারীসহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় পৃথক এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে বিভাগীয় নগরী সহ সদর এলাকার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, চুরি ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া ও মাদক প্রতিরোধ এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতারে কোতোয়ালি পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘন্টায় ২২ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এর মাঝে এসআই টিটু সরকারের নেতৃত্বে একটি টীম র্যালী মোড় আদমজী এলাকা থেকে নিয়মিত মামলার আসামী রানা মিয়া, এসআই শাহ মিনহাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টীম কাতলাসেন বাজার সংলগ্ন ভেকী বিল পাড় থেকে ৮ জুয়াড়ীকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও জুয়ার সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো, মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, মোঃ হেলাল উদ্দিন, মোঃ লিটন মিয়া, মোঃ বাবু, মোঃ এমদাদুল হক, মোঃ হেলাল উদ্দিন ও মোঃ হাফিজুল ইসলাম।এএসআই সুজন চন্দ্র সাহার নেতৃত্বে একটি টীম বাকৃবি বন বিভাগের কার্যালয়ের ভিতর থেকে ২ জুয়াড়ীকে জুয়ার সামগ্রী ও নগদ টাকা সহ গ্রেফতার করেন। তারা হলো, মোঃ ফারুক ও মোঃ সজিব।
এছাড়া তাপস চন্দ্র সরকার হত্যা মামলা নং-১০০, তারিখ-২৫/০৯/২০২২ আসামী বলাশপুর মোড়লবাড়ীর মনিরকে গ্রেফতার করে। কোতোয়ালি মডেল থানার একটি চৌকস টীম অভিযান রাজধানীর তুরাগ থানা এলাকা মঙ্গলবার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অন্যতম অপরাধী মনিরকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মনির ধারালো চাকু দিয়া উপর্যুপুরি ঘাই মেরে তাপস চন্দ্র সরকারকে হত্যা করে বলিয়া স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। ইতিপূর্বেও অত্র মামলায় জড়িত আরো একজন আসামী গ্রেফতার করে।
এছাড়া এসআই দিদার আলম, কুমোদলাল দাস, আরিফুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, এএসআই জামাল, জহির উদ্দিন, হযরত আলী, নূরে আলম পৃথক অভিযান পরিচালনা পরোয়ানাভুক্ত ৯ জন এবং এসআই আনোয়ার হোসেন আরো একজনকে গ্রেফতার করে।
তারা হলো, মোঃ আসিরুল ইসলাম, নির্মল ঋষি, মীর শিহাব উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, সালাম, মোঃ আজহার, মিজান মিয়া, আলী ও রায়হান। তাদেরকে বুধবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।