1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
ত্রিশালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৬জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামালপুরের বকশীগঞ্জ বাজারে নিউ মাতৃ জুয়েলার্সে সন্ত্রাসী কায়দায় বেদখল প্রাথমিক শিক্ষায় দুই-তিন বছরে দৃশ্যমান পরিবর্তনের আশাবাদ প্রতিমন্ত্রীর আয়াসই সেই ভুয়া চিকিৎসক খুনের মামলার আসামী উজ্জল! হালুয়াঘটে নুরুল ইসলামের জালিয়াতি ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে কাজ করছে সরকার: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ময়মনসিংহে পাসপোর্ট অফিসের পাশে যুবককে কুপিয়ে হত্যা:- ময়মনসিংহে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মিরান হত্যা মামলার মূলহোতা হাবিজুর গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ত্রিশাল ক্লুলেস আব্দুল হাই হত্যার রহস্য উন্মোচন করে পুরস্কৃত হন ওসি তদন্ত মোস্তফা রুবেল গফরগাঁও-মাওনা সড়ক অধিগ্রহণের ভূমি ও স্থাপনায় বন্টন বাণিজ্য ; দালাল ছাড়া দুর্ভোগে মালিকগণ

ত্রিশালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৬জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল

স্টাফ রিপোটার ::
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের ত্রিশালের মোখলেসুর রহমান মুকুলসহ (৬৫) পলাতক ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- মো. সাইদুর রহমান রতন (৫৬), সামসুল হক বাচ্চু (৭০), শামছুল হক ফকির (৭৫), নুরুল হক ফকির (৭০), সুলতান ফকির ওরফে সুলতান মাহমুদ (৫৮), এবিএম মুফাজ্জল হুসাইন (৭০) ও নকিব হোসেন আদিল সরকার (৬৫)।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামসহ তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন জানান, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, হত্যাসহ ছয়টি অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে রায় হয়। রায়ে পলাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। তিনটি অভিযোগে তিনজনকে হত্যার অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। বাকি তিন অভিযোগে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ত্রিশালের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদকে হত্যার অভিযোগে ছযজনকেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচার শুরুতে এ মামলায় মোট নয় আসামি ছিলো। পরে কারাগারে তিন আসামি মারা যায়। বিচার শুরুর পর থেকেই ছয় আসামি পলাতক।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের জুন-জুলাইয়ে ত্রিশালের আহমেদাবাদে একটি বিদ্যালয়ে ক্যাম্প স্থাপন করে শান্তি ও রাজাকার বাহিনী। ওই সময় কাকচর গ্রামের ইউনুছ আলী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নদী পারাপার করতেন। এ কারণে ইউনুছ আলীকে ধরে ক্যাম্পে নিয়ে যান ২০-২৫ জন। নির্যাতনের পর ৭১ সালের ১৫ আগস্ট সকালে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এছাড়া ওই রাজাকার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এলাকায় লুটপাট ও ধর্ষণের মতো অপরাধ করে।

২০১৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের বিচারিক আদালতে মামলাটি করেন মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ইউনুছ আলীর ছেলে রুহুল আমিন। পরে ওইদিনই দুপুরে বিচারক আবেদা সুলতানা মামলাটি আমলে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর আদেশ দেন।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD