1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
মুক্তাগাছা থানার ওসি’র টাকা লেনদেন নিয়ে ফেসবুকে চলছে সাফাই গাওয়া! - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুক্তাগাছা থানার ওসি’র টাকা লেনদেন নিয়ে ফেসবুকে চলছে সাফাই গাওয়া! বিমানমন্ত্রী মিল্লাতের নির্দেশেক্রমে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন যুবদল নেতা নজরুল- বিএনপি সভাপতি মানিক ময়মনসিংহ অঞ্চলে তিন মাসে ৫ ট্রেন লাইনচ্যুত। জনদুর্ভোগ চরমে জনকল্যাণে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের ত্যাগ স্বীকার করতে হবে: বিমানমন্ত্রী মহাসড়কে চোরাচালান ও অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়েছে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ময়মনসিংহে স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত অনলাইনের মাধ্যমে মিন্টু কলেজ শিক্ষার্থীদের ফি আদায়ে সোনালী ব্যাংকের সাথে চুক্তিপত্র স্বাক্ষর ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৮৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ  গ্রেফতার ২ ময়মনসিংহে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা

মুক্তাগাছা থানার ওসি’র টাকা লেনদেন নিয়ে ফেসবুকে চলছে সাফাই গাওয়া!

স্টাফ রিপোটারঃ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানায় মোবাইল ও ই-মেইল হ্যাক করে স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে আটক এক যুবককে মামলা না দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় সমঝোতার অভিযোগ উঠেছে।

নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২৮ আগস্ট রাতে ওই যুবককে আটক করার পর পরদিন উভয় পক্ষকে মুক্তাগাছা থানায় ডাকা হয়। সেখানে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলামের মধ্যস্থতায় দর-কষাকষির পর ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় সমঝোতা হয় বলে জানা গেছে। পরে আটক যুবক ভবিষ্যতে ছবি প্রচার না করার মর্মে লিখিত মুচলেকা দেন এবং অভিযোগকারী তার করা জিডি প্রত্যাহারের আবেদন করেন।

অভিযোগটির বাস্তবতা বাদী বিবাদী যখন আলাপ চারিতায় মুক্তাগাছা এলাকায় প্রচার হলো, তখন গনমাধ্যম কর্মীরা সংবাদ প্রকাশ করলেন নিজ নিজ পত্রিকায়। থানার অফিসার ইনচার্জ এর মাধ্যমে অনৈতিক ভাবে টাকা লেনদেন যখন সমালোচনা ও বিতর্কে জন্ম দিলো তখনই টনক নড়ে অফিসার ইনচার্জের। ইতিপূর্বে তিনি ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের সাথে চাকুরী করেছেন।

পুলিশের একটি সুত্র জানায়, পুলিশ ডিপার্টমেন্টে এধরনের অভিযোগে স্ব-স্টেশন অভিযুক্তকে প্রত্যাহার করে নেন উর্ধতন কর্মকর্তারা। এ ক্ষেত্রে ভিন্নতা তাদের মধ্যে পূর্ব পরিচিতি মুখ্য ভুমিকা রাখতে পারে।

আটক যুবকের ভাইয়ের অভিযোগ, ওসিই পুরো বিষয়টি ডিল করেছেন এবং থানার ভেতরেই টাকা নিয়ে বিষয়টির সমাধান করেছেন। অন্যদিকে অভিযোগকারীও লেনদেনের টাকার একটি অংশ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে অর্থনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি কামরুল ইসলাম।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সদর ও মুক্তাগাছা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল জানান, অর্থনৈতিক লেনদেনের বিষয়টি তিনি জানতে পেরেছেন এবং বিষয়টি পুলিশ সুপারকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, এ ঘটনায় অবশ্যই মামলা হওয়া দরকার ছিল। ওসি বিষয়টি তার কাছে সহজভাবে উপস্থাপন করেছিলেন বলেও জানান তিনি। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে এবং আটক যুবককে পুনরায় গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সংবাদ প্রকাশ না করতে ওসি কামরুল ইসলাম অনুনয়-বিনয় করেন বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদটি গনমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) বিভিন্ন আইডি হোল্ডার তাদের আইডিতে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলামের পক্ষে সাফাই গাওয়া শুরু হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে ওঠা অর্থনৈতিক লেনদেনের অভিযোগের সত্যতা এবং ওসির ভূমিকা তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD