
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চূরখাই এলাকার রূপসী বাংলা, হোটেল মালিকের অব্যবস্হাপনায় পার্শবর্তী হোটেলের কর্মচারী ফরিদা নামের এক নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।গত ১১ মে বৃহস্পতিবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রূপসী বাংলা হোটেলের চার তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ওপরে নির্মান কাজ চলছে,কিন্তু নিরাপত্তার তেমন কোন ব্যবস্হা নেই! বিল্ডিং এর নির্মান কাজ করতে যেসব নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজন, সেই ব্যবস্হা সেখানে চোখে পড়েনি। হোটেল রূপসী বাংলার যে রান্নাঘরে ফরিদা কাজ করছিলেন,সেই রান্নাঘরটিই যেন এক মরণ ফাঁদ! একদিকে যেমন রান্নাঘরটির চাল ভাঙ্গা, টিনের ওয়াল ভাঙা, অন্যদিকে, পাশেই একই মালিকের চার তলা বিল্ডিং এর ওপরে নির্মান কাজ চলছিল, কিন্তু কোন নিরাপত্তার ব্যবস্হা ছিল না! যেকারণে রান্নাঘরটির ভাঙা টিনের চালে, চার তলার ওপর থেকে নির্মান সামগ্রী ভেঙ্গে পড়ে বাবুর্চি ফরিদার ওপর। এ কারণে প্রাণ দিতে হয়েছে নারী শ্রমিক ফরিদা কে! হোটেল মালিকের বিল্ডিং নির্মানে ব্যবস্হাপনায় চরম গাফিলতি রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, হোটেল মালিকের অব্যবস্হাপনায় নারী শ্রমিক ফরিদার মৃত্যুর সংবাদ, দূর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়া, অব্যবস্হাপনার দ্বায় এড়ানো, ধামাচাপার চেষ্টায়, নিহতের অসহায় পরিবার যাতে কোন মামলা না করে সেজন্য এক লক্ষ টাকা রফাদফার ঘটনাও ঘটে যা নিহতের পরিবার স্বীকারও করেছেন!
সূত্রমতে, অভিযোগ রয়েছে হোটেল মালিক প্রভাবশালী, ক্ষমতাধর ব্যক্তি,তার সাথে কোনভাবেই পারবি না, এমন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া থেকে বিরত থাকতে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন স্হানীয় একটি চক্র । তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে, গা ঢাকা দেন হোটেল মালিক আবুল হোসেন! তবে এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ জানান,এ বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, অভিযোগ পেলে ব্যবস্হা নেয়া হবে।