1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
মিঠামইনে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক জমির মাটি আত্মসাতকাণ্ড: গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তদন্তে নামছে শিক্ষা অফিস - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার — মসিক প্রশাসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে র‍্যাব-১৪ এর অভিযানে দালাল চক্রের ১৪ সদস্য আটক ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে খাস জমিতে বৃক্ষরোপণ সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল মোকাবিলায় হালুয়াঘাটে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদকাসক্ত কারাবন্দীদের পুনর্বাসনে বিশেষ কাউন্সিলিং সেশন ময়মনসিংহে মানবিক রাসেল পাঠান ফের জেল গেইটে গ্রেফতার ময়মনসিংহ সিটিতে টিআর কর্মসূচির ৭১ লাখ টাকার চেক বিতরণ ময়মনসিংহের প্রথম নির্বাচিত সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু মুমিন টেলেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে ময়মনসিংহে আলোচনা সভা, পরিকল্পিত জনসংখ্যার ওপর গুরুত্বারোপ

মিঠামইনে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক জমির মাটি আত্মসাতকাণ্ড: গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তদন্তে নামছে শিক্ষা অফিস

স্টাফ রিপোটার ::
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ২০৩ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখল করে পুকুর খনন ও মাটি আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবশেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়েছে প্রশাসনের।

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন হোসেনপুর গ্রামের মৃত রুহুল আমিন মাস্টারের ছেলে এবং হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন। ভূমি রেকর্ড অনুযায়ী, হোসেনপুর মৌজার এসএ খতিয়ান নং-১০, দাগ নং-২০১৯ এর জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডভুক্ত। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বিদ্যালয়ের ৪৮ শতাংশ জমির মাটি কেটে পুকুর করেছেন। কাটা মাটি নিজের বসতবাড়িতে নিয়ে গেছেন।

এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে প্রথমে ভুল স্বীকার করে পুকুর ভরাটের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে তার দেয়া প্রতিশ্রুতি রাখেননি প্রধান শিক্ষক।
পরে জমিদাতা মো. আবু হানিফ ভূঁইয়া ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে প্রথম লিখিত অভিযোগ দেন। কোনো ব্যবস্থা না হওয়ায় ১৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দ্বিতীয় দফা অভিযোগ করেন। কিন্তু ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এই বিষয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হওয়ার পর মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে সরেজমিন তদন্তের নির্দেশ দেন। এর পরিপেক্ষিতে শিক্ষা অফিস আগামী ১০ জুন হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাদেকুর রহমান বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ফলে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহফুজ মিয়া আগামী ১০ জুন সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। দোষী প্রমাণিত হলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তদন্তের সিদ্ধান্তে খুশি হলেও এলাকাবাসী বলছেন, ১০ মাস পর তদন্ত শুরু হলো। আমরা চাই দ্রুত তদন্ত শেষে পুকুর ভরাট করে স্কুলের জমি উদ্ধার করা হোক এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD