1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
রাজনৈতিক নেতার ফাঁদে দুই কূল হারা প্রবাসীর স্ত্রী - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে এক সপ্তাহে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের ৪০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার একনেকে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন ময়মনসিংহ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি এন্ড হেলথ সায়েন্সেস অধ্যক্ষ ডাঃ রোকসানা মুক্তাগাছায় জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান, আটক ১২ নগদ টাকা উদ্ধার, আদালতে প্রেরণ কুষ্টিয়া ইউনিয়নে অবৈধ ভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি’র অভিযোগ মিঠামইনে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক জমির মাটি আত্মসাতকাণ্ড: গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তদন্তে নামছে শিক্ষা অফিস ময়মনসিংহে দিন দুপুরে চুরির ঘটনায় এলাকাবাসী আতঙ্কে ফুলপুরে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত  পুলিশ সুপার কর্তৃক নান্দাইল মডেল থানা ও ঈশ্বরগঞ্জ থানা আকষ্মিক পরিদর্শন ময়মনসিংহে ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

রাজনৈতিক নেতার ফাঁদে দুই কূল হারা প্রবাসীর স্ত্রী

গোলাম মোস্তফা
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

স্বামী প্রবাসী দুই সন্তান নিয়ে বেশ সুখেই কাটছিল ছন্দা’র (ছদ্মনাম)।দাম্পত্য জীবন।বড় মেয়েটা তখন বিবাহ যোগ্য টূকটাক বিয়ে টিয়ের সম্বন্ধোও আসতো মেয়েটার।এসব নিয়ে প্রতিদিনই স্বামীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হতো ছন্দার স্বামীও টাকা পাঠাতেন খরচের চেয়েও বেশী।

কেননা দুই সন্তানের লেখাপড়ার খরচ মিটিয়ে আবার কিছু জমাতেও তো হবে মেয়েটাতো বিয়ে দিতে হবে।সব মিলিয়ে বাঙালী সমাজের এক আদর্শ পরিবার।

রাজনীতিবিদ ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ী কালে খাঁন মেয়েদের পটাতে বেশ পটু,চেহারাটা কালো হলেও কথায় আর যৌবনে মধুতে ঠাসা।মুঠোফোনে মিষ্টি মিষ্টি কথায় আলাপ জমাতো নারীদের সঙ্গে বিশেষ করে বিবাহিত নারীদের।অল্পতেই নারীরা তার প্রেমে পড়তো।বিবাহ যোগ্য যুবতীর মা সেই ছন্দাকেও একদিন কথার মায়া জ্বালে ফাঁসিয়ে ফেললো কালে খাঁন।

প্রথম বিয়েতে সাধ মিটেনি কালে খানের।বিছানায় নাকি তার মন ভরাতে পারে না তার স্ত্রী।কালে খাঁন রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীর মোড়কে তুখোড় কালোবাজারি ছন্দাকে শুধু আকাশ থেকে চাঁদটা এনে দেওয়া ছাড়া সবি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শুধু মাত্র তাকে একটু মনের সুখ দিলেই সে খুশি এমন প্রলোভনে মন গলিয়ে ফেলে ছন্দার।

স্বামী বিদেশ ছন্দার শরীরে চাহিদার ঘেরাটোপে ফেলে আর চোখে বিভোর সুখের স্বপ্ন দেখিয়ে কালে খাঁন গণেশ কীর্তনে নিজেকে তুখোড় ঝড় তোলা পুরুষ ও প্রমাণ করে ছন্দার কাছে।

এরপর ছন্দার চোখে সুখের রাজ্যের রাণী হবার নীল চশমা পড়িয়ে দিল কালে খাঁন।ফলে পরকীয়ার নীল ছোবলে ছন্দার সুখের সংসারে নেমে আসে অমানিশার অন্ধকার।সোনার সংসার তাসের ঘরের মত ভেঙে দিয়ে নয় বছর আগে কালে খাঁনকে বিয়ে করে সুখের ভেলায় ভাসে ছন্দা।প্রেমের টানে আর যৌবনের ঝড় তোলা আবেদনে কচুরিপানার মতো ভেসে ভেসে ভালোই কেটেছে কয়েক বছর।

দু’জনের আগের বিবাহিত জীবনের অনেকগুলো বছর পেরিয়ে গেছে,দুজনের সেই বিবাহিত জীবন কেবল অভ্যাস।কেবল দায়সারা দাম্পত্য,শরীরী মিলনের একটা চাহিদা মাত্র নিজের চাহিদাগুলো-যখন পানসে-থেকে অতি পানসে আর জোলো জীবন,তা থেকে বেরিয়ে,একটা অন্য রকম কিছু করবে বলে ছন্দাকে কথাও দিয়েছিল কালে খাঁন।

আর কি আশ্চর্য,ছন্দার পছন্দ কি?আনন্দ কিসে?ছন্দা কি ধরনের কথা পছন্দ অপছন্দ করে,সবই ছিল কালে খাঁনের নখদর্পনে।ছন্দা অবাক হয়েছিলো,ছন্দার আগের স্বামী সুবোধ (ছদ্মনাম) ১৫ বছর একসাথে থেকে -এক বিছানায় শুয়ে যা জানতে পারেনি কালে খাঁন তা ঠিক জানে।

ছন্দা কালে খাঁনের প্রতি দুর্বল হয়ে জীবনের কথা বলতে বলতে নিজের অবশিষ্ট দুর্বলতাটুকু অতিক্রম করলো।অনুভব করলো,দুর্বলতাটুকু জয় করতে পেরেছে সে।জেনেছে শরীরে এখনও এত ক্ষুধা ছিলো,এত সুধা ছিলো-এত শিহরণ লুকিয়ে ছিলো।

কালে খানের সঙ্গে প্রথম রাতেই রোমাঞ্চকর শরীরি যাত্রায় গা ভাসিয়ে,দীর্ঘদিনের উপোসী জীর্ণ ভাঙাচোরা চাঁদগুলো কালে খাঁনের হাতে সঁপে দিলো,অন্ধ অতল জোয়ারে -করাতের মতো চিরে চিরে কালে খাঁন যখন ছিনিমিনি খেলছিল ছন্দা তখন বিস্ময়াবিষ্ট হচ্ছিলো শরীরের অনৈসর্গিক সুখের এত পূর্ণতায়।

শরীরি সঙ্গমে মনে হচ্ছিলো ও যেন একটা হারমোনিয়াম আর ওর অঙ্গ গুলি যেন এক-একটা রীড,সেই রীডগুলির এদিক ওদিকে চাপে ওর শরীরে শরীরে যেন সঙ্গীতের মূর্ছনা।আর আগের স্বামী সুবোধ?এতদিন এত বার এতভাবে মিলনেও!ভাঙাচোরা সুর ও তার শরীর থেকে বের করতে পারেনি।

তারপর একটা একটা করে রাত কেটেছে,আর ছন্দা নিজেকে নতুন করে আবিস্কার করেছে কালে খাঁনের বিছানায়।

একরাতে ছন্দা কালে খাঁনকে বললো তোমার -আমার এ’ ভালোবাসার বীজ,একে মহীরুহ হতে দিও না।নয়তো কোনোদিন কোনো ঝড়ে তোমার আমার ঘরের ওপর পড়ে দুটো ঘরই ভাঙবে।কালে খাঁন ছন্দার বুকে মাথা রেখে চোখে চোখ রেখে ছন্দাকে সারাজীবন সুখে রাখার প্রতিশ্রুতি দিল।খুশিতে ক্ষেতসরুপ কালে খাঁনের বীজটুকু নিজের গর্ভে নিয়েছিল।

বিপত্তি বাধে ছন্দার মেয়েটার বয়স যখন ৪ বছর তখন থেকে ছন্দার গাড় কাজলের হরিণী চোঁখের বাঁকা চাহনি,কড়া লিপস্টিকের প্রলেপ মাখা ঠোঁটের আবেদনময়ী হাসি,সুউচ্চ বক্ষযুগল,মন মাতোয়ারা নিতম্ব,কেশাগ্রবিহীন লোমকূপের নেশাজাগানিয়া আহ্বানেও আর আকর্ষিত করে না কালে খাঁনের মনে।

কালে খাঁন আবার আরেকটা টসটসে রমণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তৃতীয় বিয়ে করেছে।নতুন ফুলের মধুতে যে কালে খাঁন ডুবে গিয়ে তাকে এতটাই ভুলেই যাবে এটা কল্পনাও করেনি ছন্দা।ছন্দার কাছেও সেই নারীর সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু ছবি ও অডিও ক্লিপ আছে।এখন যে কালে খাঁনের গণেশ নয়া লোমকূপে ডুবে ছন্দাকে এড়িয়ে যাওয়ার যে এটাই কারন একলা বিছানায় ছন্দা তা হাড়ে হাড়ে অনুভব করে।

অথচ স্বামীর মন পেতে যৌবনের সমস্ত আবেদন উজাড় করা ভালোবাসা দিয়ে এবং কালে খাঁন যখন নির্বাচন করে তখন ছন্দার জমানো সঞ্চয়ের-৫ লাখ টাকা আর ১৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার স্বামীর হাতে তুলে দিয়েও কালে খানের মন ভরাতে পারলো না ছন্দা।

এখন মাসে তো দুরস্ত বছরেও একবার বিছানায় একটু কৃষ্ণলীলা তো দূরের কথা!ফোনে দুই একটা মিষ্টি কথা বলে না কালে খাঁন।সন্তানের ও তার খরচের জন্য নির্ধারিত টাকার জন্য ফোন করলেও কেটে দেয় যে বাড়িতে তাকে থাকতে দিয়েছিল সেখান থেকেও ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয় প্রতিনিয়ত তাকে সুখের রাজ্যের রানী বানিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখানো সেই কালে খাঁন।

স্বামীর থেকে শরীরের বঞ্চনা আর ভরণ পোষণ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা দিলেও তা ভিখেরীর মত মাস গেলে চেয়ে নেওয়া এসব মানসিক যন্ত্রণা হয়ে ছন্দার পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকে গেছে।আগের সংসার বা বাবার সংসারে কোথায় যাওয়ার ও মুখ নেই ছন্দার ৬ বছরের একটা মেয়ে আছে বলে দাঁতে দাঁত চেপে এতদিন মুখ বুজে সব সহ্য করতে করতে এখন হাঁপিয়ে উঠেছে ছন্দা।

ইদানিং কালে খাঁন ও এই কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়ে যাওয়ার আতংকে একটু শুকিয়ে যাচ্ছে।ক্লিন সেভ করেও মুখটা আর চকচক করে না।তৃতীয় স্ত্রীর পরিপাটি বিছানায় চন্দ্রাবতী রুপের ঝলকানি আবেদনময়ী আহ্বানেও সে বিচলিত থাকে রাজনৈতিক পথ পদবী হারানোর আশঙ্কা আর জনমানুষের ঢালাও ধিক্কারের সেই লজ্জায় আনমনা ইতস্ততায়‌ ভোগে।

অপরদিকে ছন্দা মনচোরা কানাই কালে খাঁনের আদর সোহাগ হারিয়ে এখন ফনা ধরা সাপের মত শুধু ফুসফুস করে।সরাসরি ছোবল দিতেও পারে না।বিষ দাঁত তো কালে খানের সাথে পালিয়ে যাওয়ার দিনেই ভেঙ্গে গিয়েছিল তার।

কালে খাঁন স্থানীয় রাজনীতির প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং জনপ্রতিনিধি তাই নিজের অধিকার ও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দ্বন্ধ নিরশনের জন্য স্থানীয় গণমাণ্যজন কালে খাঁনের কাছের ঘনিষ্টজন এবং আত্বীয় স্বজন কারো কোন চেষ্টাই কাজে আসছে না।ছন্দা ইতিমধ্যে থানায় একটা সাধারণ ডায়রী করে রেখেছে ভবিষ্যতে আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তা বিবেচনায়।মিডিয়ার সামনেও কালে খাঁনের মুখোশটাও তুলে ধরতে চায় এমনটাই জানিয়েছে সাংবাদিকদের।

ছবি ইন্টারনেটে থেকে সংগৃহীত।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD