
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আজিম উদ্দিন সততা, কর্মদক্ষতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য জেলাবাসীর কাছে একজন পরিচিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। ৩৩তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ১৯ মে ময়মনসিংহে যোগদানের পর থেকে সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আলোচনায় এসেছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বন্যা, দুর্যোগ ও সংকটকালীন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ, খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং অসহায় মানুষের জন্য জরুরি সহযোগিতা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন। পাশাপাশি মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি-সংক্রান্ত সহায়তায়ও তিনি ভূমিকা রেখেছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
এ ছাড়া ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন অনেকেই।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সরকারি কর্মকর্তা হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন। এ কারণে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি একজন দায়িত্বশীল ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
সরকারি চাকরির নিয়মই হচ্ছে এক জায়গায় বেশিদিন দায়িত্ব পালন করা যাবে না। চলে যেতে হবে অন্য কোনো কর্মস্থলে। সেবা দিতে হবে সেই অঞ্চলের জনসাধারণের। এই নিয়মের বাইরে নন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। চাকরিজীবনে তাদের বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালন করতে হয়। কিন্তু যার মধ্যে সততা থাকে তাকে জেলাবাসী সারাজীবন মনে রাখে। এমনই একজন সৎ, নির্ভীক, কর্মঠ ও নিরহংকারী মনের অধিকারী মানুষ হচ্ছেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজিম উদ্দিন। এই মানুষটি সম্পর্কে যত ইচ্ছা ততই লেখা যাবে। কেউ যদি মনে করেন খুশি করার জন্য এই লেখা, তাহলে ভুল। যে মানুষটি ভালো, তাকে ভালো বলতে না পারার মতো দুঃখ সবাই পুষে রাখতে পারে না।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আজিম উদ্দিন বলেন, “রাষ্ট্র আমার ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে, তা সততা, স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করছি। সরকারি বরাদ্দ ও সেবা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম যাতে না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আমি এখানে কিছু দিতে এসেছি, নিতে নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলা সম্ভব। সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”