
সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যার ঘটনায় সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুকে কিলিং মিশনের নায়কের পাশাপাশি ‘প্ল্যানমেকার’ বলছে পুলিশ।সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছে বাবু চেয়ারম্যান এখন সেই প্রশ্ন উঠেছে বাবু চেয়ারম্যান যদি ‘প্ল্যানমেকার’ হয় তাহলে।মাস্টারমাইন্ড কে?
বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহীনা বেগমের বিরুদ্ধে একাত্তর টিভিতে চাঞ্চল্যকর সংবাদ প্রকাশ করেছিলেন সাংবাদিক নাদিম।সেসময়েও তার ওপরে হামলা করা হয়।সেই হামলার বিচার হয়নি নিরাপত্তা পায়নি সাংবাদিক নাদিম।আগের ঘটনায় যথাযথভাবে বিচার হলে হয়তো এভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হতো না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে,সাংবাদিক গোলাম রব্বানি নাদিম তাঁর প্রাণের নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে আকুতি জানাচ্ছেন।সেই আকুতিও ব্যর্থ প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে এসেছে।
পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একের পর এক সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হবেন,এটিই কি দেখে যেতে হবে আমাদের?একজন সাংবাদিক প্রাণের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেও বাঁচতে পারেননি।
একদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হবে,তারা সাংবাদিকদের সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর,অন্যদিকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে একজন সাংবাদিক হত্যার শিকার হবেন—এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিক সমাজ গোলাম রব্বানি হত্যার প্রতিবাদ করেছে।কর্মসূচি নিয়েছে।আমিও তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বলতে চাই,গোলাম রব্বানি হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক।বিচারের বাণী যেন নিভৃতে না কাঁদে।