
ভালুকায় চলন্ত বাসে ধর্ষণের চেষ্টা,বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলায় নারী আহত ও তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
আহত গার্মেন্টস কর্মীকে দেখতে হাসপাতালে মানবিক পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।
শনিবার ১৭ই জুন সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেলে ১০নং ওয়ার্ডে গুরুত্বর আহত শামছুন্বাহার(৩৫)কে দেখতে যায় মানবিক জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা। শামছুন্নাহার এর শারীরিক খোঁজ খবর নেন ও তার সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, চলন্ত বাসে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষনের চেষ্টা ও হত্যার উদ্দেশ্য বাস থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে মারাক্তক আহত করেছে চালক ও সহকারীরা।শুক্রবার (১৬ই জুন) রাতে উপজেলার হবিরবাড়ী মায়ের মসজিদ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা জানান, গতকাল রাতে গার্মেন্টস কর্মী শামছুন্নাহার কাজ শেষে হাইওয়ে মিনিবাসে বাসায় ফির ছিলেন। ফেরার পথে যখন মাস্টার বাড়িতে আসেন তখন বাসের সকল যাত্রী নেমে পড়েন। তিনি বাসে একা থাকেন। একা পেয়ে তখন বাসের চালক ও হেল্পার শ্লীলতাহানি চেষ্টা করেন। তখন প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন শামছুন্নাহার। তার শ্লীলতাহানি বাঁচাতে বাস থেকে ধাক্কা বা লাফিয়ে পড়েন।এতে তিনি মাথায় গুরুত্বর আঘাত পায়।এ বিষয়টি তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানালে ভালুকা থানা পুলিশের টহল পুলিশ উক্ত বাস আটক করে। বাস চালক ও হেল্পারসহ ৩ জন জড়িত থাকার অপরাধে আটক করা হয়৷ হাসপাতালে এসে রোগীর উন্নত চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ খবর নেই। শাসুন্নাহারের পাশে আমরা আছি। তার আইনি সহায়তাসহ সার্বিক সহযোগীতা আশ্বাস দেন জেলা পুলিশ সুপার।ভালুকা মডেল থানা সূত্রে জানাযায়, শুক্রবার (১৬ই জুন) রাতে উপজেলার হবিরবাড়ী মায়ের মসজিদ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন এবং বাসের দুই সহকারী ময়মনসিংহ ত্রিশাল থানার কাশীগঞ্জ এলাকার শ্রী রবিদাশের ছেলে আনন্দ দাস (১৯) ও ত্রিশালের রায়মনি এলাকার আরফান আলীর ছেলে আরিফ (২০) কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এ ঘটনার স্বীকার করেছেন। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহম্মেদ ভূইয়ার নির্দেশনায় এক ঘন্টার মধ্যে চালক সহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।