1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠামইনের হাওরে নৌ-ডাকাতির ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, নৌকা ও দেশীঅস্ত্র উদ্ধার ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার তৃতীয় দিনের সমাপনী দিবস অনুষ্ঠিত ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ২০৫ পিস ইয়াবা ট‌্যাবলেটসহ ০৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ধোবাউড়ায় ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর খুন ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক কর্মশালার দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ডিবি পুলিশের অভিযানে ৭০০ পিস ইয়াবা ট‌্যাবলেটসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। বিজিবির সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতি পেলেন ভাবখালীর কৃতি সন্তান মোঃ লুৎফর রহমান ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবা ট‌্যা‌ব‌লেট ও ১২ গ্রাম হে‌রোইনসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন ময়মনসিংহে এক সপ্তাহে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের ৪০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

স্টাফ রিপোর্টার ::
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫
  • ২২৫ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ধ্রুবজিৎ কর্মকার নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। মৃত্যুর আগে লিখে গেছেন এক হৃদয় বিদারক সুইসাইড নোট, যেখানে তার মৃত্যুর জন্য দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকেই দায়ী করেছেন ।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪র্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী ধ্রুবজিৎ কর্মকার (২৩) ১৮ মে রবিবার দুপুরে কলেজের অমর একুশে হলে নিজের ৩০৭ নম্বর কক্ষে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।

কলেজ কর্তৃপক্ষ তার রুম থেকে একটি ডায়েরিতে সুইসাইড নোট লিখা একটি ডায়েরী উদ্ধার করেছেন। সেখানে লিখা রয়েছে-“সরি বাবা, মা। আমি ধ্রুবজিৎ সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। কার্ডের পিন…। টাকাগুলো মাকে দিয়ে দিও।”আরেকটি পৃষ্টায় ধ্রুবজিৎ আরো লেখেন,“আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। পরেরবার ফার্মেসি নিয়েই পড়তাম। এত চাপ আমার পক্ষে নেওয়া কোনভাবেই সম্ভব ছিল না। বিদায়, হরে কৃষ্ণ।”

কলেজের শিক্ষার্থীরা জানায়, রবিবার ধ্রুবজিতের ষষ্ঠ সেমিস্টারের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার হলে নকলের অভিযোগে তার খাতা নিয়ে নেন পরিদর্শক। সহপাঠীদের কাছ থেকে জানা গেছে, ধ্রুবজিৎ লজ্জা ও অপমান সহ্য করতে না পেরে নিজ কক্ষে ফিরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। ঘটনার পর হলের শিক্ষার্থীরা ১২টার দিকে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ধ্রুবজিতের আত্মহত্যার পর কলেজজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সহপাঠীরা জানান, দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর ‘কম্বাইন্ড সিস্টেম’ অনুযায়ী তিনটি কলেজে ভিন্নভাবে পড়ানো হলেও একত্রে একই প্রশ্নে পরীক্ষা নিতে হয়। এরপর প্রশ্নপত্র ঢাবিতে জমা দিয়ে সেখান থেকে মডারেশন করে ফলাফল দেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীদের ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে এবং অনেক সময়েই তারা ন্যায্য মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত হন। ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা কলেজ বন্ধ রেখে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের দাবি, অমানবিক এই কম্বাইন্ড সিস্টেম বাতিল করতে হবে।

এদিকে, কলেজ অধ্যক্ষ ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

ধ্রুবজিতের বড় ভাই সুভজিৎ কর্মকার ময়মনসিংহ লাইভকে জানান,“আমরা মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি। এখন কলেজ ক্যাম্পাসে যাচ্ছি। বিস্তারিত পরে জানাব।”

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD