1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
উন্নয়নের মুখোশে দুর্নীতির খেলা—নেত্রকোনায় ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণে আতঙ্ক! - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলপুরে নিখোঁজ যুবকের দেহাবশেষ উদ্ধার অপহরণ মামলায়  গ্রেফতার ৩ অর্থ গ্রহণের দৃশ্য ঘিরে ময়মনসিংহের বিআরটিএতে তদন্তের আবেদন, পদায়ন নিয়েও প্রশ্ন মুক্তাগাছা থানার ওসি’র টাকা লেনদেন নিয়ে ফেসবুকে চলছে সাফাই গাওয়া! বিমানমন্ত্রী মিল্লাতের নির্দেশেক্রমে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন যুবদল নেতা নজরুল- বিএনপি সভাপতি মানিক ময়মনসিংহ অঞ্চলে তিন মাসে ৫ ট্রেন লাইনচ্যুত। জনদুর্ভোগ চরমে জনকল্যাণে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের ত্যাগ স্বীকার করতে হবে: বিমানমন্ত্রী মহাসড়কে চোরাচালান ও অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়েছে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ময়মনসিংহে স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত অনলাইনের মাধ্যমে মিন্টু কলেজ শিক্ষার্থীদের ফি আদায়ে সোনালী ব্যাংকের সাথে চুক্তিপত্র স্বাক্ষর

উন্নয়নের মুখোশে দুর্নীতির খেলা—নেত্রকোনায় ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণে আতঙ্ক!

শেখ মামুনুর রশীদ মামুনঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনা জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম যেন এককভাবে পরিচালিত হচ্ছে এক কথিত রাজনৈতিক প্রভাবশালী ঠিকাদারের হাতে! অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মোখলেসুর রহমান   নামে পরিচিত এই ব্যক্তির নামে চলমান প্রকল্পের আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা! খাদ্য গুদাম থেকে শুরু করে পানি উন্নয়ন, এলজিইডি, গণপূর্ত—প্রায় সব সেক্টরেই তার রাজত্ব। প্রশ্ন উঠছে, একজন ঠিকাদার কিভাবে এত বিশাল পরিমাণ সরকারি প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণ নেন?

৭টি খাদ্য গুদামের নিম্নমানের নির্মাণ:-
১. ঠাকুরাকোনা গুদাম
২. পূর্বধলা গুদাম
৩. জারিয়া গুদাম
৪. বিরিশিরি গুদাম
৫. মদন গুদাম
৬. আটপাড়া গুদাম
৭. খালিয়াজুড়ি গুদাম
-প্রতিটি গুদামে অভিযোগ—মানহীন নির্মাণ সামগ্রী, নির্মাণ প্রক্রিয়ায় নিয়ম না মানা, তদারকির অভাব, প্রকৌশলীদের সঙ্গে আঁতাত করে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ।
শুধু খাদ্য বিভাগ নয়—সবখানে তার রাজত্ব:
*পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খনন ও বাঁধ সংস্কার প্রকল্প,*এলজিইডি’র সড়ক নির্মাণ ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প, *গণপূর্ত বিভাগের স্কুল, অফিস ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ-কোটি টাকার একাধিক চলমান কাজেও একই ব্যক্তির নাম!–স্থানীয় একজন কর্মকর্তা বলেন, “উনার নামে যে পরিমাণ বরাদ্দ চলছে, সেটা শুনলে মাথা ঘুরে যাবে—৫০০ কোটিরও বেশি! আর এসব কাজ কিভাবে পাইছেন, সেটা কেউ জানে না।”-প্রভাবের ছায়ায় প্রশাসনের নিরবতা: -কর্মকর্তারা ভীত, সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার। কেউ মুখ খুলতে চায় না। কারণ, অভিযোগ করলেই-হামলা-মামলা!-সচেতন সমাজের প্রশ্ন—এটাই কি উন্নয়ন?-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় ক্ষতি হবে ভয়াবহ। জনগণের অর্থ, জনগণের জন্য—এই সত্য প্রতিষ্ঠার এখনই সময়। সচেতন মহলের মন্তব্য:-প্রশাসনের প্রতি আমাদের জোর আবেদন—৫০০ কোটি টাকার এই ‘একক সাম্রাজ্য’ ভেঙে দিন। স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনুন। দুর্নীতিবাজ যতই ক্ষমতাধর হোক, রাষ্ট্রের সামনে সে তুচ্ছ—এটাই হোক আজকের অঙ্গীকার।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD