1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
উন্নয়নের মুখোশে দুর্নীতির খেলা—নেত্রকোনায় ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণে আতঙ্ক! - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠামইনের হাওরে নৌ-ডাকাতির ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, নৌকা ও দেশীঅস্ত্র উদ্ধার ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার তৃতীয় দিনের সমাপনী দিবস অনুষ্ঠিত ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ২০৫ পিস ইয়াবা ট‌্যাবলেটসহ ০৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ধোবাউড়ায় ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর খুন ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক কর্মশালার দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ডিবি পুলিশের অভিযানে ৭০০ পিস ইয়াবা ট‌্যাবলেটসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। বিজিবির সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতি পেলেন ভাবখালীর কৃতি সন্তান মোঃ লুৎফর রহমান ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবা ট‌্যা‌ব‌লেট ও ১২ গ্রাম হে‌রোইনসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন ময়মনসিংহে এক সপ্তাহে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের ৪০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

উন্নয়নের মুখোশে দুর্নীতির খেলা—নেত্রকোনায় ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণে আতঙ্ক!

শেখ মামুনুর রশীদ মামুনঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনা জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম যেন এককভাবে পরিচালিত হচ্ছে এক কথিত রাজনৈতিক প্রভাবশালী ঠিকাদারের হাতে! অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মোখলেসুর রহমান   নামে পরিচিত এই ব্যক্তির নামে চলমান প্রকল্পের আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা! খাদ্য গুদাম থেকে শুরু করে পানি উন্নয়ন, এলজিইডি, গণপূর্ত—প্রায় সব সেক্টরেই তার রাজত্ব। প্রশ্ন উঠছে, একজন ঠিকাদার কিভাবে এত বিশাল পরিমাণ সরকারি প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণ নেন?

৭টি খাদ্য গুদামের নিম্নমানের নির্মাণ:-
১. ঠাকুরাকোনা গুদাম
২. পূর্বধলা গুদাম
৩. জারিয়া গুদাম
৪. বিরিশিরি গুদাম
৫. মদন গুদাম
৬. আটপাড়া গুদাম
৭. খালিয়াজুড়ি গুদাম
-প্রতিটি গুদামে অভিযোগ—মানহীন নির্মাণ সামগ্রী, নির্মাণ প্রক্রিয়ায় নিয়ম না মানা, তদারকির অভাব, প্রকৌশলীদের সঙ্গে আঁতাত করে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ।
শুধু খাদ্য বিভাগ নয়—সবখানে তার রাজত্ব:
*পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খনন ও বাঁধ সংস্কার প্রকল্প,*এলজিইডি’র সড়ক নির্মাণ ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প, *গণপূর্ত বিভাগের স্কুল, অফিস ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ-কোটি টাকার একাধিক চলমান কাজেও একই ব্যক্তির নাম!–স্থানীয় একজন কর্মকর্তা বলেন, “উনার নামে যে পরিমাণ বরাদ্দ চলছে, সেটা শুনলে মাথা ঘুরে যাবে—৫০০ কোটিরও বেশি! আর এসব কাজ কিভাবে পাইছেন, সেটা কেউ জানে না।”-প্রভাবের ছায়ায় প্রশাসনের নিরবতা: -কর্মকর্তারা ভীত, সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার। কেউ মুখ খুলতে চায় না। কারণ, অভিযোগ করলেই-হামলা-মামলা!-সচেতন সমাজের প্রশ্ন—এটাই কি উন্নয়ন?-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় ক্ষতি হবে ভয়াবহ। জনগণের অর্থ, জনগণের জন্য—এই সত্য প্রতিষ্ঠার এখনই সময়। সচেতন মহলের মন্তব্য:-প্রশাসনের প্রতি আমাদের জোর আবেদন—৫০০ কোটি টাকার এই ‘একক সাম্রাজ্য’ ভেঙে দিন। স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনুন। দুর্নীতিবাজ যতই ক্ষমতাধর হোক, রাষ্ট্রের সামনে সে তুচ্ছ—এটাই হোক আজকের অঙ্গীকার।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD