
ময়মনসিংহ শহর তলী জেলখানার চর এলাকায় মল্লের চর নামক স্থানে সুলতান আহমেদের একটি ঘরে লুটপাট করে আগুন ধরিয়ে দেয়ার খবর পাওয়া গেছে।
থানায় দাখিল করা অভিযোগে জানা গেছে, মোঃ ইছমাইল মিয়া (৩৫), পিতা: মোঃ কাজল মুন্সী, সাং: ৩১ নং ওয়ার্ড, জেলখানার চর, মল্লের চর, থানাঃ কোতোয়ালী, জেলাঃ ময়মনসিংহ এর বিরুদ্ধে গত ৩০ মে অত্র থানায় চুরি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগ দায়ের করেন সুলতান আহমেদ। সেই প্রেক্ষিতে গত ৭ জুন ২নং ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা জিয়াউল হক একজন পুলিশ কনস্টেবল সহ উক্ত স্থান ও বিবাদীর বাড়ী পরিদর্শন সহ আশেপাশের স্থানীয় লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন ও অভিযুক্ত না পেয়ে ফিরে আসেন।
এর পরে ৮ জুন রোজ সোমবার সকাল ৮.০০ ঘটিকার সময় থানায় অভিযোগ দায়েরের কারনে সুলতান আহমেদ এর উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং উক্ত স্থানে নির্মিত টিনের ঘরটি মোঃ ইছমাইল মিয়া ও ছাত্রলীগ নেতা ফারুকের নেতৃত্বে ৫/৬ মিলে দেশীয় অস্ত্র সন্ত্র নিয়া কুপাইয়া, ভাংচুর করিয়া, ঘরের ভিতরে রক্ষিত মালামাল লুট করে এবং ঘরে অগ্নি সংযোগ করিয়া পুড়াইয়া ফেলে।
সুলতান আহমেদ জানান, সন্ত্রাসীদের বিরোদ্ধে চুরি, মাদক মামলা রয়েছে।এলাকার একজন দাগী চোর, নেশাখোর, সন্ত্রাসী হওয়ায় স্থানীয় লোকজন তাহার ভয়ে আশেপাশের লোকজন কেহই তাহার কাছে যায় না এবং কোন অপরাধ কার্যে ভয়ে বাঁধা নিষেধ করিতে সাহস পায় না।
অভিযোগকারী জানান, ইসমাইলের সহোদর বড় ভাই মোঃ নাইম মিয়া সহ স্থানীয় আরোও কয়েকজন ব্যক্তি উক্ত ঘটনার বিষয়ে মোবাইল ফোনে জানায় এবং আরোও জানায় যে, বর্ণিত ঠিকানায় গেলে সুলতান আহমেদকে উক্ত ব্যক্তিরা প্রাণে মারিয়া ফেলিবে এবং যে কোন সময় বড় ধরনের ক্ষতি করিয়া ফেলিবে। ঘর মালিক সুলতান আহমেদ প্রাণের ভয়ে ঘটনাস্থলে যাইতে পারিছে না।
উক্ত ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা জিয়াউল হক কে সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোনে অবহিত করিলে তিনি জানান, থানায় একটি লিখিত এজাহার দাখিল করার পরামর্শ দেন।