
ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে পা বাধা মিরান (২০) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মিরান গত ১১ দিন যাবত নিখোঁজ ছিল।
নিহত মিরান জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার চর পাকেরদহ গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে। সে পেশায় নির্মাণ শ্রমিক ছিল।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোররাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার পরানগঞ্জ ইউনিয়নের চর শ্রীকলদী নামায় ব্রহ্মপুত্র নদের বাজারের ২০০ গজ পশ্চিম দিক থেকে ভেসে ওঠা অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম ব্রহ্মপুত্র নদের পাড় থেকে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে সদর ইউনিয়নের চর শ্রীকলদী বাজারের নামায় ব্রহ্মপুত্র নদের পারে ভেসে ওঠা বস্তাবন্দী পা বাধা অজ্ঞাত মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভোররাত সাড়ে ১২ টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মরদেহ উদ্ধারের পর পকেটে জাতীয় পরিচয় পত্র পায় পুলিশ। পরে জাতীয় পরিচয় পত্রের সুত্র ধরে নিহতের স্বজনদের খবর দেয়। পরে নিহতের স্বজনরা এসে জামা, প্যান্ট ও জাতীয় পরিচয় দেখে মিরানকে শনাক্ত করে তার স্বজনরা।
নিহতের স্বজনদের একটি সুত্র জানায়, মিরান গত ২২ জুলাই বাড়ি থেকে রাগ করে বেরিয়ে যায়। পরে ২৭ জুলাই তার স্ত্রীর সাথে মোবাইলে শেষ কথা হয়। এর পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। এর আগেও সে কয়েকবার বাড়ি থেকে রাগ করে বেরিয়ে যায়। পরে আবার কয়েকদিন পর ফিরে আসতো। যে কারণে নিহতের স্বজনরা থানায় কোন নিখোঁজ ডায়েরী করেননি।
ওসি শিবিরুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে তার নিজ এলাকায় তাকে হত্যা করে ব্রহপুত্র নদে ফেলে দেয়। সেখান থেকে মরদেহ ভেসে ময়মনসিংহে