
অথই নূরুল আমিন নব্বই দশকের মানবতার কবি, মানবাধিকার কর্মী, শিক্ষাবন্ধু, আওয়ামী পক্ষের কলাম লেখক ও রাজনীতি বিশেষজ্ঞ।
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের প্রান ( কবিতা গ্রন্থের লেখক ) প্রধানমন্ত্রীর মানব সম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা ( বইয়ের লেখক ) এক থেকে দশম খন্ড পযর্ন্ত। সভাপতি বঙ্গবন্ধু জাতীয় কবিতা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি। প্রতিষ্ঠাতা কন্ঠবিদ বাংলাদেশ মানব সম্পদ লীগ।
একনজরে অথই নূরুল আমিনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি অথই নূরুল আমিন ১৯৬৮ ইং সনের ২০ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা জেলায় বারহাট্টা উপজেলার ছয়গাঁও গ্রামে এক ধনাঢ্য খান পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা আব্দুল হক খান। মাতা নুর জাহান বেগম।
অথই নূরুল আমিন বাল্যকাল থেকেই আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি ১৯৯৩ সনে ” কেন লেখা হলো না বঙ্গবন্ধুর নাম ” শিরোনামের কবিতা লিখে আলোচিত হন । এছাড়া বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে শতাধিক কবিতা লিখেছেন। অসংখ্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি তৎকালীন সময়ে রাজধানী ঢাকার সাবেক ৪২ নং ওয়ার্ড আট নং ইউনিট আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৫ , তারপর থেকে ২০০৩ পযর্ন্ত আট নং ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তৎকালীন তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগ বাস্তবায়ন পরিষদ ঢাকা কমিটির সহ সম্পাদক পদে ছিলেন। ময়মনসিংহ বিভাগ বাস্তবায়নে অথই নূরুল আমিনের রয়েছে বিশেষ অবদান। রয়েছে অর্থ ব্যয় শ্রম এবং মেধা।
তিনি ২০০১ পরবর্তীতে ২০০২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে আরো শক্তিশালী হওয়ার লক্ষ্যে ১২ টি পরামর্শ প্রদান করেন। পরামর্শ গুলো সরাসরি দলের সভাপতি ( বতর্মান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ) র কাছে। সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং দপ্তর সম্পাদকের নিকট প্রেরণ করেন।
উক্ত ১২ টি পরামর্শের এক নম্বরে লেখা ছিল ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ দলীয় কেন্দ্রীয় অফিসটি সুন্দর ও সুরক্ষিত করতে হবে। তিনি মনে করেন। যে অফিসটি বতর্মানে করা হয়েছে এটা সেই ২০০২ সালের পরামর্শ অনুযায়ী।
অথই নূরুল আমিনের সেই ১২ টি পরামর্শ পরবর্তীতে বেশ কিছু জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। দৈনিক প্রথম আলো ৫ মে ২০০২ রোজ রবিবার।
দৈনিক ভোরের কাগজ ২০ মে ২০০২ সোমবারদৈনিক আল আমীন ২০ এপ্রিল সহ অসংখ্য পত্রিকায় পরামর্শ গুলো ছাপা হয়েছিল। বেশ কিছু পত্রিকা এখনো সংরক্ষণে আছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
তিনি ১৯৯৩ থেকে বিভিন্ন জাতীয় দিবস, শোক দিবস বিজয় দিবস, মহান স্বাধীনতা দিবসে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে সংকলন স্বরনিকা প্রকাশ করতেন এবং উল্লেখযোগ্য দিবস পালনে বিভিন্ন সংগঠন কে উৎসাহিত করতেন। সাধ্য মত আর্থিক সহযোগিতাও করেছেন।
১৯৯৩ সনে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কবিতা পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৯৪ সনে ঢাকার মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট সংলগ্ন একটি বস্তি আগুনে পুড়ে গেলে তিনি ত্রাণ কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এখানে আওয়ামী লীগ সভাপতি ( বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ) পরিদর্শন করতে এসেছিলেন । সেদিন এই খবর বিটিভিতে প্রচার হয়। অথই নূরুল আমিন সেদিন সাথে ছিলেন ।
সেই আগুনে পোড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের শিশুদের শিক্ষা প্রদান করতে তখন এলাকার আরো কয়েকজন শিক্ষিত ছেলে মেয়ে নিয়ে। কলম কলি অক্ষর দান কেন্দ্র নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এবং স্ব অর্থায়নে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কে শিক্ষা প্রদান করার উদ্যোগ নেন। স্কুলটি এখানে প্রায় পাঁচ বছর স্থায়ী ছিল।
তারপর ঢাকার মোহাম্মদপুরে ২০১১ সালে আবার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য ১০৪ টি ( অস্থায়ী ) শাখা একযোগে জীবন বার্তা বিদ্যালয় নামে চালু করেন। তখন তিনি জীবন বার্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। এখানে চার বছরের একটি কোর্স ছিল। বিভিন্ন বস্তির প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষার্থীদের স্ব অর্থায়নে শিক্ষাদানে তিনি উৎসাহিত করেন।
তিনি প্রায় দশ বছর সময় ব্যয় করে ” প্রধানমন্ত্রীর মানব সম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা ” শিরোনামের একটি বৃহৎ বই রচনা করেছেন । বই দশ খন্ডে প্রকাশিত। যা কপিরাইট আইনে দায়বদ্ধ রয়েছে। বইটি ফোরসান গ্রন্থ প্রকাশ সহ বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হচ্ছে।
তিনি মিডিয়া বিমুখ একজন ব্যক্তি। খুব সহজে নিজেকে প্রচার করতেও চান না।
এই প্রতিনিধিকে তিনি জানিয়েছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে ২০০৬ সালে নেত্রকোনা ২ আসনে এমপি নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। এবং পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদেও নির্বাচন করতে ব্যানার পোষ্টার করেছিলেন। সময়ের ব্যবধানে এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার ফলে আর হয়ে উঠেনি।
অথই নূরুল আমিন মনে করেন গত পনেরো বছরে সারাদেশ জুড়ে উন্নয়ন চক অনুযায়ী সব খানেই উন্নয়ন হয়েছে। তারপরও নেত্রকোনা ২ আসনে বিশেষ জায়গা গুলোতে উন্নয়ন হয়নি। প্রকৃত জন স্বার্থের উন্নয়ন কি এবং কোন ধরনের আসলে অনেকেই জানেন না।
একজন এমপি যদি সত্যিকার অর্থে মানব প্রেমি সমাজ প্রেমি দেশ প্রেমি হন। তবে নিজ থেকেও সমাজ উন্নয়নে অনেক ভূমিকা রাখতে পারেন। তিনি মনে করেন রাষ্ট্রের একজন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মান ও সুনাম সর্বস্তরের জনগণের কাছে বিশেষ করে একজন এমপির আসনে ফুটিয়ে তুলবে একজন এমপি। একজন এমপির আদর্শ গুণাবলি থেকে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা আসবে সর্বস্তরের জনগণের আলোচনা থেকে।
প্রকৃত জন স্বার্থের উন্নয়ন গুলো করার তাগিদেই নেত্রকোনা ২ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে যদি তিনি মনোনয়ন পান তবে এমপি পদে নির্বাচন করবেন মর্মে এই প্রতিনিধির সাথে একান্ত আলাপ কালে তিনি জানিয়েছেন।
তিনি নেত্রকোনা ও বারহাট্টার জনগণের সাথে মিলেমিশে আছেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় ও অনলাইন মিডিয়ায় নিয়মিত কলাম কবিতা প্রবন্ধ নিবন্ধ লিখছেন।
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি দৈনিক আমাদের সমাচার, অনলাইন। লেখালেখি দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস, দৈনিক বাংলার সূর্য্য।
নিয়মিত লেখালেখি, দৈনিক নবদেশ 24.কম, দৈনিক আজকের কাগজ অনলাইন, দৈনিক অনুসন্ধানী বার্তা ডটকম, দৈনিক বাংলা সংবাদ, দৈনিক সংবাদ চিত্র ডটকম, দৈনিক বর্তমান সংবাদ ডটকম।