
শেরপুর জেলা থেকে ময়মনসিংহে লেখাপড়া করতে আসা বাবা মার মুখে হাসি ফুটাতে সেই সাথে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে একটি সুনামধন্য মহিলা কলেজে মাস্টার্স অধ্যায়নরত উচ্ছন্নে যাওয়া এক ছাত্রী যার প্রথম ও শেষ অক্ষর দিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে “জে য়া” অলি,। এ নারী নিজেকে প্রেমিক পুরুষদের নিজেকে সোপর্দ করে হয়ে উঠেছেন দুর্ধর্ষ ব্ল্যাকমেইলিং হানি ট্যাপ এর মাষ্টার মাইন সে ইতিমধ্যে দুজনের সংসার ভেঙ্গেছেন। সে গৌরীপুর একটি এনজিও তে কর্মরত থাকার সুবাদে সেখানে পাঁচদিন এবং শুক্র ও শনিবার ময়মনসিংহের ভাটিকাশর মিশন এর সাথে বাসায় বসবাস করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এই ছাত্রী বহুরুপী নারী একটি সরকারি মহিলা কলেজে সমাজ কর্ম ডিপার্টমেন্টের মাস্টার্স অধ্যায়ন রত আছে। উচ্ছন্নে যাওয়া বখাটে ছেলেদের নিয়ে হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ে জড়িত ছাত্রীটির নাম জে…য়া অলি বলে জানা গেছে ভূক্তভূগী দু’জন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হয়রানির শিকার ছদ্দনাম রক শাম।
এই মেয়েটা বিবাহিত পুরুষদের টার্গেট করে অনৈতিক সম্পর্কে জরায় যা একটি সংসারের জন্য ক্ষতিকর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ এবং তদন্ত টিমের মাধ্যমে জানা যায় যে জে ..য়া অলি মেয়েটি বিভিন্ন ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেদের টার্গেট করে সম্পর্কে জরায় এবং মদের নেশার আসর বসায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে আকুয়া চৌরঙ্গি মোড়ে আগোরার ম্যানেজারের বাসায় রোজার মাঝে,তার হানি ট্যাপের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা যায়। সে একটি এনজিও তে চাকরি করে গৌরিপুরের বাসায় পাঁচদিন বসবাস করে এবং শুক্র শনিবার ভাটিকাশর মিশন এর সাথে বাসায় এক স্কুল শিক্ষিকাসহ রিচিল, সুভ্রী এই দুই মেয়েকে নিয়ে নেশার সাথে এর সাথে জড়িত রয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও পরিচিত বন্ধুদের স্ত্রীর অনুপস্থিততে বাসায় যাওয়া আসা করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিবাহিত টাকাওয়ালা পুরুষদের টার্গেট করে তাদের থেকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়, এবং টাকা না দিলে সংসার ভাংগার হুমকি পর্যন্ত দেয়।সে এসব অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে দুবার এবোর্শন পর্যন্ত করেছে, এবং তা দিয়ে ব্ল্যাকমেইলও করছে, পরকিয়া, মদ, ইয়াবার আসর বিভিন্ন সময়ে হানি ট্রিপে যাওয়া লাকজারি জীবন যাপন তার কাছে মামুলি বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে সমাজের অবক্ষয় বাড়তে থাকবে। এমতাবস্থায় ভূক্তভুগিরা জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।