
ত্রিশালে মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল হাই হত্যার রহস্য উন্মোচন করে পুরস্কৃত হয়েছেন ওসি তদন্ত মোস্তফা রুবেল। সেই সাথে আসামি গ্রেফতার ও খুনে ব্যবহার করা অস্ত্র উদ্ধার করেছেন।
সুত্র জানায় গত ইং ০৯/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ০৬.৩০ ঘটিকার সময় খুচরা মাছ ব্যবসায়ী জনৈক মোঃ আব্দুল হাই, মাতা-মোছাঃ মরিয়মন্নেছা, সাং-সাখুয়া শেখ বাজার, খান বাড়ী, ইউপি-সাখুয়া, থানা-ত্রিশাল, জেলা-ময়মনসিংহকে ফার্নিচার দোকান যাইয়া উঠার জন্য তার শ্যালক আতিকুল ডাক দিলে বাদীর পিতার কোন সারা শব্দ না পাইয়া পাশের চায়ের দোকানদার আইয়ুব আলীকে সংবাদ দেয়। আতিকুল ইসলাম এবং আইয়ুব আলী আসিয়া দরজা ধাক্কা দেওয়ার পরেও কোন সারা শব্দ না পাওয়ায় পাশের গ্যারেজ হইতে প্লাস আনিয়া দরজায় থাকা জিআই তার কাটিয়া দরজা খুলিয়া ভিতরে প্রবেশ করিয়া দেখিতে পায় যে, ত্রিশাল থানাধীন আমিরাবাড়ী ইউনিয়নস্থ গুজিয়াম জনৈক নূরুল ইসলাম (৭০) পিতা- আবু ইউসুফ সরকার, সাং-গুজিয়াম, ২নং ওয়ার্ড, থানা-ত্রিশাল, জেলা-ময়মনসিংহ এর মালিকানাধীন আতিকুল ইসলাম (৫৫) এর ভাড়াটিয়া ফার্নিচার এর দোকানের ভিতরে মোঃ হাইউল্লাহ ওরফে আব্দুল হাই (৬৫) কে ইং ০৯/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ০৬.৩০ ঘটিকার পূর্বে যে কোন সময় অজ্ঞাতনামা বিবাদী/বিবাদীরা বাদীর মামার ভাড়াটিয়া ফার্নিচারের দোকানের ভিতর অনধিকার প্রবেশ করিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দ্বারা মাথার পেছনের কুপাইয়া গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করিয়া খাঁটের উপর ফালাইয়া দরজা বন্ধ করিয়া চলিয়া যায়। পরবর্তীতে আতিকুল ইসলাম (৫৫) স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আঃ হাইকে রক্তাক্ত জখমী অবস্থায় প্রথমে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে অবস্থা অতি গুরুতর হওয়ায় তাহাকে আরোও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে রেফার্ড করে। রেফার্ড মূলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশংকা জনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকে। রেফার্ড মূলে বাদীর পিতা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশংকা জনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইং13/04/2026 সময় 13.30 ঘটিকার সময় মৃত্যূ বরণ করে । পরবর্তীতে মামলাটি ধারাঃ- ৩০২/৩৪; The Penal Code,1860 সংযুক্ত করা হয় । সূত্রীয় মামলার তদন্তে প্রাপ্ত গ্রেফতারকৃত সন্ধিগ্ধ আসামী রিজাউল (৩৯), পিতা- হবিবর,মাতা-জরিনা, সাং- পাকুরিয়া বাঘুটিয়া, থানা- দৌলতপুর, জেলা- মানিকগঞ্জ ডিসিষ্ট মোঃ হাইউল্লাহ ওরফে আব্দুল হাই (৬৫) ইং-১৩/০৪/২০২৬ তারিখ সময় ১৩.৩০ ঘটিকার সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল ঢাকায় মৃত্যূর সংবাদ প্রাপ্ত হওয়ার পরপরই কৌশলে মামলার ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আত্নগোপনে চলে যায়। পরবর্বতীতে হকার রিজাউলকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জনাব হাসান ইসরাফিলের স্যারের দিক নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক জনাব শেখ গোলাম মোস্তফা রুবেল স্যারের নেতৃত্বে হকার রিজাউলকে সাভার এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয় । হকার রিজাউলকে বিজ্ঞ আদালতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ০২ দুই দিনের পুলিশ রিমান্ড এ জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তার দেওয়া তথ্য মতে ঘটনাস্থলের উত্তর পাশে সেলুনে কাজ করত আসামী অপু ঋষি (২২) ,পিতা-সুতি ঋষি, মাতা- মিনতি ঋষি সাং- কাশিগঞ্জ কাচারীঘাট, থানা- ত্রিশাল, জেলা- ময়মনসিংহকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকারসহ এবং বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী প্রদান করেন।