1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
গফরগাঁওয়ে সালিসের নামে তরুণকে মারধর, বাধা দিতে গিয়ে দাদার মৃত্যু - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গফরগাঁওয়ে সালিসের নামে তরুণকে মারধর, বাধা দিতে গিয়ে দাদার মৃত্যু হোয়াটসঅ্যাপ-ইমুতে লাখ টাকার মাদক লেনদেন: অভিযুক্তের খোঁজে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার ময়মনসিংহে থানা ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার ১০ জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমানের উদ্যোগে শব্দদূষণ প্রতিরোধে স্টিকার বিতরণ ময়মনসিংহে মাসিক রাজস্ব সভা অনুষ্ঠিত, শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড সম্মাননা পেলেন সৈয়দা তামান্না হোরায়রা ময়মনসিংহ ডিবি ও কোতোয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার ময়মনসিংহ বলাশপুরে যানজটে আটকে থাকা বাস বাসযাত্রীর মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগে সাংবাদিক শফিকের মুক্তির দাবিতে তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির মানববন্ধন ময়মনসিংহ ডিবি ও কোতোয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের গ্রেফতার  ৬ ময়মনসিংহে ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ে হয়রানির অভিযোগ অলি’র বিরুদ্ধে

গফরগাঁওয়ে সালিসের নামে তরুণকে মারধর, বাধা দিতে গিয়ে দাদার মৃত্যু

স্টাফ রিপোটার ::
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মুঠোফোন চুরির অভিযোগে এক তরুণকে সালিসের নামে বেঁধে মারধরের ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে তাঁর দাদা নবী হোসেন (৭০) নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার হাটপাড়া গ্রামের বাদল মার্কেটসংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নবী হোসেন হাটপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, পাগলা থানা বিএনপির সাবেক সদস্য ও স্থানীয় উস্থি ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শামছুল ইসলাম ওরফে ফারুকের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, প্রায় এক মাস আগে একই গ্রামের রবিন মিয়ার একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। ওই ঘটনায় নবী হোসেনের নাতি মো. রানা (২০)-কে সন্দেহ করা হয়। তিন দিন আগে এলাকায় ফেরার পর রোববার সন্ধ্যায় তাঁকে ধরে এনে শামছুল ইসলামের কার্যালয়ের সামনে বেঁধে সালিসের নামে মারধর করা হয়।
খবর পেয়ে নবী হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে নাতিকে মারধর না করার অনুরোধ করলে সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং বুকে কিল-ঘুষি মারা হয়। পরে স্থানীয় এক পল্লিচিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) মনতোষ বিশ্বাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালালেও অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিএনপি নেতা ও চেয়ারম্যান প্রার্থীর চেম্বারের সামনে রানাকে বেঁধে মারধর করা হচ্ছিল। এ সময় তাঁর দাদা গিয়ে প্রতিবাদ করলে তাঁকেও মারধর করা হয়। পরে ধাক্কাধাক্কি ও কিল-ঘুষিতে আহত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শামছুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, অভিযুক্ত রানাকে নির্যাতন কিংবা নবী হোসেনকে মারধরের ঘটনার সঙ্গে তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত নন। তাঁর অস্থায়ী কার্যালয়ে কোনো সালিস হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনায় চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD