1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
মিরান হত্যা মামলার মূলহোতা হাবিজুর গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিমানমন্ত্রী মিল্লাতের নির্দেশেক্রমে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন যুবদল নেতা নজরুল- বিএনপি সভাপতি মানিক ময়মনসিংহ অঞ্চলে তিন মাসে ৫ ট্রেন লাইনচ্যুত। জনদুর্ভোগ চরমে জনকল্যাণে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের ত্যাগ স্বীকার করতে হবে: বিমানমন্ত্রী মহাসড়কে চোরাচালান ও অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়েছে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ময়মনসিংহে স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত অনলাইনের মাধ্যমে মিন্টু কলেজ শিক্ষার্থীদের ফি আদায়ে সোনালী ব্যাংকের সাথে চুক্তিপত্র স্বাক্ষর ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৮৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ  গ্রেফতার ২ ময়মনসিংহে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

মিরান হত্যা মামলার মূলহোতা হাবিজুর গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

সুমন ভট্টাচার্য ::
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রীকে অন্য এক যুবকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে মিরান (২০) নামে এক যুবককে মারধর করে হত্যার পর হাত-পা বেঁধে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে হাবিজুর ফকির (৩১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে হাবিজুর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।
গ্রেপ্তার হাবিজুর ফকির জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কুতুবেরচর গ্রামের উকিল মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের কুতুবেরচর এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ জুলাই রাতে মিরানকে হত্যা করা হয়। ওই রাতে হাবিজুর বাড়িতে ফিরে মোবাইলের আলোতে তার ঘরে স্ত্রী হাসি বেগমের সঙ্গে মিরানকে দেখতে পান বলে পুলিশের কাছে দাবি করেন। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি মিরানকে পেটে ও বুকে কয়েকটি ঘুষি মারেন এবং পরে তার পুরুষাঙ্গ চেপে ধরেন। এতে মিরান অচেতন হয়ে পড়েন বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেন হাবিজুর।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এরপর মিরানের জ্ঞান ফেরানোর জন্য তার মাথা ও বুকে পানি ঢালেন হাবিজুর। প্রায় আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা চেষ্টা করেও জ্ঞান না ফেরায় তিনি মিরানকে মৃত মনে করেন। পরে রাত আনুমানিক ১টা থেকে দেড়টার দিকে মিরানের দুই পা দড়ি দিয়ে বেঁধে সাদা প্লাস্টিকের দুটি বস্তায় ভরে বাড়ির পাশের নদীতে ফেলে দেন।
এরপর ৭ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার কুষ্টিয়া ইউনিয়নের নামাপাড়া বিদ্যাগঞ্জ খেয়াঘাটের প্রায় ২০০ গজ পূর্বে ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরঘেঁষা এলাকা থেকে একটি ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মরদেহটি মিরানের বলে শনাক্ত হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা করেন। ৭ আগস্ট দায়ের করা মামলাটির নম্বর-১৭। এতে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ও কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশনায় একটি বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্তের পর জামালপুরের বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ ও আশপাশের দুর্গম নদীপথে অভিযান চালানো হয়।
একপর্যায়ে হাবিজুর ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে নদীপথে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD