1. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
অধ্যবসায় আর পারিবারিক সহায়তায় স্বপ্নজয়ের নাম তানিয়া - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গফরগাঁও পাইথলে সন্ত্রাসী হামলা যুবক হাসপাতালে পাঁচ হাজার অসচ্ছল পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন মুছে ফেলা যায়না সাবেক মেয়র টিটু’র অবদান ! হালুয়াঘাটে বিপুল সংখক ভারতীয় শাড়ি থ্রীপিসসহ আটক ২ জন ফুলবাড়ীয়া বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিছুর রহমানের জানাযা নামাজ সম্পন্ন বেগুনবাড়ি এলাকায় নিখোঁজের তিনদিন পর বিজয়ের লাশ উদ্ধার প্রস্তুতি শেষ, রাত থেকে শুরু হজের আনুষ্ঠানিকতা আদালত প্রাঙ্গণে রণক্ষেত্র: কক্সবাজারে প্রকাশ্যে গুলি, আহত ৫ ময়মনসিংহে ভুয়া ফেসবুক আইডি বানিয়ে দাবীদার সাংবাদিক নেতার প্ররোচনায় সাংবাদিকেরা নামে মামলা! ময়মনসিংহে পতিতা নেত্রী সর্দানী লাভলীর অপরাধ সাম্রাজ্যে গড়েছেন অঢেল অর্থ সম্পদের পাহাড়!

অধ্যবসায় আর পারিবারিক সহায়তায় স্বপ্নজয়ের নাম তানিয়া

স্টাফ রিপোর্টার ::
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫
  • ১৩২৮ বার পড়া হয়েছে

একজন নারী শিক্ষার্থীর অদম্য চেষ্টা, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং একাগ্র অধ্যবসায় কিভাবে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে পারে—তার জীবন্ত উদাহরণ হয়ে উঠেছেন তানিয়া আক্তার। সদ্য প্রকাশিত ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পলিটিক্যাল সায়েন্স বিষয়ের প্রার্থী হিসেবে উত্তীর্ণ হয়ে কলেজ পর্যায়ে প্রভাষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি। এ সাফল্য শুধু তার ব্যক্তি অর্জন নয়—সমগ্র সমাজে নারীদের এগিয়ে যাওয়ার এক অনুকরণীয় বার্তা। তানিয়ার জন্ম ও বেড়ে ওঠা একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে। পিতা আলী সোবান ও মাতা মমতা বেগমের ঘরে পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তানিয়া এক গর্বিত নাম। বড় ভাই শেখ মামুনুর রশিদ মামুন একজন পেশাদার সাংবাদিক। তিনিই সামাজিক মাধ্যমে বোনের সাফল্যের খবরটি ছড়িয়ে দেন গভীর আবেগ ও গর্ব নিয়ে। তিনি বলেন,>”তানিয়া ছিল আমাদের পরিবারের সবচেয়ে নিষ্ঠাবান শিক্ষার্থী। আজ তার কঠোর পরিশ্রম এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে সে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছেছে। এখন তার সামনে বড় দায়িত্ব—একজন আদর্শ শিক্ষক হয়ে নতুন প্রজন্মকে আলোকিত করা।” তানিয়া আক্তারের জন্য ২০২৫ সালের ৪ জুন ছিল একান্ত স্মরণীয় দিন। এ দিন বিকালে প্রকাশিত হয় তার মাস্টার্স পরীক্ষার ফলাফল, যেখানে তিনি প্রথম শ্রেণি অর্জন করেন। এবং সন্ধ্যায় আসে কাঙ্ক্ষিত আরেকটি বড় সুখবর—NTRCA কর্তৃক কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার সুসংবাদ। তার নিজের ভাষায়,> “এই বছরেই একাডেমিক পড়াশোনা শেষ হলো,আর এই বছরেই চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ—এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। যাঁরা আমার পাশে ছিলেন,ভালোবাসা ও সহায়তা দিয়েছেন—তাঁদের প্রতি আমি আজীবন কৃতজ্ঞ।” তিনি বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তাঁর পরিবার, শিক্ষক, আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি—বিশেষ করে বড় ভাই ও ছোট বোনের প্রতি, যাঁদের অব্যাহত সহায়তা তাকে এই উচ্চতায় পৌঁছাতে সাহস জুগিয়েছে। তানিয়ার এই অর্জন সময়োপযোগী এক বার্তা বহন করে। আজকের সমাজে যখন গুণগত শিক্ষা এবং নৈতিকতা সমন্বিত শিক্ষকের প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি, তখন একজন নারী শিক্ষার্থীর এমন কৃতিত্ব প্রমাণ করে—সঠিক দিকনির্দেশনা, আন্তরিক প্রচেষ্টা ও পারিবারিক সমর্থন মিললে যেকোনো প্রতিকূলতাকেও জয় করা সম্ভব। তানিয়া আক্তার আজ শুধুমাত্র একজন প্রভাষক নন—তিনি এক পথ-প্রদর্শক। যিনি তার মতো হাজারো নারী শিক্ষার্থীকে স্বপ্ন দেখতে শেখান, এবং জানান—স্বপ্ন শুধু দেখার নয়, বাস্তবে রূপ দেওয়ারও। > 🎓 তানিয়া আক্তার, তুমি এগিয়ে চলো। তুমি আলোর দিশারী—এই সমাজের জন্য এক নতুন ভোরের প্রতিশ্রুতি।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD